
মুকসুদপুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর সাত বছর পরে জন্ম নিয়েও সন্তান পরিচয়ে খাচ্ছে ভাতা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর সাত বছর পরে জন্ম নিয়েও সন্তান পরিচয়ে খাচ্ছে ভাতা ও এন আইডি কার্ড বানিয়ে মাদ্রাসায় চাকুরী করতেছেন বলে এমন অভিযোগ উঠেছে । মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দেওয়া এক অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া গ্রামে, শেখ আঃ রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী শিক্ষক পদে চাকুরী করেন মোঃ মোরাদ হোসেন। জাতীয় পরিচয় পত্রে মোঃ মোরাদ হোসেন এর জন্ম তারিখ পহেলা জানুয়ারী ১৯৭৮ সাল। এবং এই জন্ম তারিখ দিয়ে তিনি মাদ্রাসায় চাকুরী নিয়েছেন। কিন্তু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় মোঃ মোরাদ হোসেন এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন শহীদ হন। তাহার ইনডেক্স নং ২০০৭০৩৯। সহকারী মৌলভী মোঃ মোরাদ হোসেন তার পিতার মৃত্যুর ৭ বছর পর জন্ম তারিখ দেখিয়ে চাকুরী নিয়েছেন ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা খাচ্ছেন। মোঃ মোরাদ হোসেন তথ্য গোপন করে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে চাকুরী ও ভাতা খাচ্ছেন।
পিতার সাথে পুত্রের জন্ম তারিখ সাংঘর্ষিক। অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন এ ঘটনার তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এবং সদয় অবগতির জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এর মহা পরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ঢাকা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক পরিচালক, জেলা প্রশাসক গোপালগঞ্জ, মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ও শেখ আঃ রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বরাবর অনুলিপি প্রেরন করেছেন।
এমন বিষয় জানার জন্য স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া শেখ আঃ রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসায় গেলে এবং সহকারী মৌলভী মোঃ মোরাদ হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করে ঘটনা জানতে চাইলে তিনি কোন সদউত্তর না দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।