
এটিএম ও বিকাশে তোলা যাবে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, তথ্য সংগ্রহে নামছে ৬৬ হাজার কর্মী
স্টাফ রিপোর্টার: আল ইমরান: এটিএম বুথ, পস মেশিন ও বিকাশ-নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে তোলা যাবে ফ্যামিলি কার্ডের ভাতার টাকা। এই লক্ষ্যে সারাদেশে একযোগে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮২ জন সুপারভাইজার মাঠে নামছেন।
এর অংশ হিসেবে রোববার ১২ অক্টোবর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মূল তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. সেলিম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া সুলতানা লিজা, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সৌরভ রেজা শিহাব, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আমিনুল ইসলাম ও উপজেলা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজা বেগম।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পাইলট পর্যায়ে ৪৪ জেলার ৫৩ উপজেলা ও ৭ সিটি কর্পোরেশনে ১ লাখ ১৩ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ৭২ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য নারীকে কার্ড দেওয়া হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচিতে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে বিতরণ করা হবে। নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে 'ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬' প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর PMT স্কোর অনুযায়ী যাদের ফ্যামিলি স্কোর ৮৬০ বা তার কম, সেই নারী প্রধান পরিবার ভাতার জন্য যোগ্য হবেন।
কাশিয়ানী উপজেলায় ১০০ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে মহেশপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড থেকে ট্যাবলেটের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৬ এর মধ্যে সারাদেশে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উপকারভোগীরা যে কার্ড পাবেন তাতে Dual Chip, QR Code ও NFC সুবিধা থাকবে এবং সরকারের Taka Pay এর সাথে সংযুক্ত থাকবে।